মহাকাশ ও যৌক্তিকতা - মুশফিক বরাত
অসুস্থতার সভ্যতা বনাম উন্নত গেমিং সভ্যতা।কার মর্যাদা বেশি?জেসাস ক্রাইস্ট টানা চল্লিশ দিন ক্রুশে যুদ্ধ করে অসুস্থ অবস্থায় মারা যান।
টাইপ ১ থেকে টাইপ ৭ সভ্যতা বলতে মূলত কার্দাশেভ স্কেল (Kardashev Scale)-এর উন্নত সংস্করণকে বোঝানো হয়, যা একটি সভ্যতার শক্তি ব্যবহারের ক্ষমতার উপর ভিত্তি করে তাদের উন্নত হওয়ার মাত্রা বিচার করে; টাইপ ১ সভ্যতা তাদের গ্রহের সমস্ত শক্তি ব্যবহার করতে পারে, টাইপ ২ তারার শক্তি ব্যবহার করে (যেমন ডাইসন গোলকের মাধ্যমে), টাইপ ৩ একটি গ্যালাক্সির শক্তি নিয়ন্ত্রণ করে, আর টাইপ ৭ হলো তাত্ত্বিক সর্বোচ্চ স্তর, যা একটি মহাবিশ্বের (Universe) শক্তি নিয়ন্ত্রণ করে, যেখানে টাইপ ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬ হলো ধাপ, যা ক্রমশ শক্তি ব্যবহারের মাত্রা বাড়ায়, এবং <1>টাইপ ৭ হল এমন এক সভ্যতা যা পুরো মহাবিশ্বের সমস্ত শক্তি নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম</1>।
কার্দাশেভ স্কেল (Kardashev Scale) কী?
এটি একটি তাত্ত্বিক পদ্ধতি, যা মহাকাশচারী নিকোলাই কার্দাশেভ ১৯৭০-এর দশকে প্রস্তাব করেছিলেন। এর মাধ্যমে বহির্জাগতিক সভ্যতার প্রযুক্তিগত উন্নয়ন পরিমাপ করা হয়, যা তাদের দ্বারা ব্যবহৃত শক্তির পরিমাণের উপর নির্ভরশীল।
বিভিন্ন টাইপের সভ্যতার ধারণা:
টাইপ ০ (Type 0): মানুষ (বর্তমানে টাইপ ০.৭ বা ০.৮)। আমরা এখনও আমাদের গ্রহের সমস্ত শক্তি পুরোপুরি ব্যবহার করতে পারি না।
টাইপ ১ (Type I): একটি গ্রহের সমস্ত শক্তি ব্যবহার করতে পারে (যেমন, পৃথিবীর সমস্ত সৌর, বায়ু, জলবিদ্যুৎ)।
টাইপ ২ (Type II): একটি নক্ষত্রের (যেমন সূর্য) সমস্ত শক্তি ব্যবহার করতে পারে (ডাইসন গোলক বা ডাইসন সোয়ার্ম-এর মাধ্যমে)।
টাইপ ৩ (Type III): একটি গ্যালাক্সির (আমাদের মিল্কিওয়ে) সমস্ত শক্তি ব্যবহার করতে পারে।
টাইপ ৪ থেকে টাইপ ৭ (তাত্ত্বিক):
টাইপ ৪ (Type IV): একটি গ্যালাক্সি ক্লাস্টারের (যেমন লোকাল গ্রুপ) শক্তি নিয়ন্ত্রণ করে।
টাইপ ৫ (Type V): একটি সুপারক্লাস্টারের শক্তি নিয়ন্ত্রণ করে।
টাইপ ৬ (Type VI): মহাবিশ্বের (Universe) বেশিরভাগ বা সমস্ত শক্তি নিয়ন্ত্রণ করে।
টাইপ ৭ (Type VII): সম্পূর্ণ মহাবিশ্বের সমস্ত শক্তি নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবহার করতে পারে, যা প্রায় ঈশ্বরতুল্য ক্ষমতা।
সংক্ষেপে, টাইপ ৭ সভ্যতা হলো একটি চূড়ান্ত তাত্ত্বিক পর্যায়, যেখানে একটি সভ্যতা মহাবিশ্বের সমস্ত শক্তিকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।
টাইপ ১ থেকে টাইপ ৭ সভ্যতায় পৌঁছুনো অবশ্যই উচিত। যেহেতু এটি বস্তুজগতের নিয়ন্ত্রণ।যা কখনোই মানুষের সহ্যক্ষমতা বা পরিশ্রমকে অতিক্রম করে যাবে না।তেমনি স্বর্গ বা নরকের ধারণা মানুষের পরিশ্রমকে বাতিল করছে।যেটা প্রতিক্রিয়াশীল মত।মানুষকে অতি অবশ্যই মানুষ হতে হবে বা থাকতে হবে।সেজন্যে অসুখে বা অসুস্থতায় বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের কাছে যাওয়াটাও তো জরুরী।কোনো প্রকারের দ্বিধাবোধ থাকা উচিত নয়।তাই হাতুড়ির ঘায়ে ঘায়ে পাথরে আগুন ধরান ও কাস্তেটায় নিয়মিত শান দিন।